Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ১৩ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / হাবিব উন নবী খান সোহেল এখন লন্ডনে!

হাবিব উন নবী খান সোহেল এখন লন্ডনে!

habib un nobi shohelডেস্ক রিপোর্ট : রংপুরে জাপানি খুনের নেপথ্য নায়ক, সেই বড় ভাই হাবিব উন নবী খান সোহেল এখন লন্ডনে। ৩ দিন আগে তিনি লন্ডনে পৌঁছেছেন। সেখানে এক রাজনৈতিক নেতার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর আশ্রয়ে আছেন। লন্ডনের অবস্থান সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াতে সোহেলের ফেসবুক আইডি বাংলাদেশে খুলে রাখা হয়েছে। চট্টগ্রামের কোনো এলাকা থেকে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিকে ঢাকায় ইতালি নাগরিক খুনের মাস্টার মাইন্ড আবদুল কাইয়ুম কমিশনার মালয়েশিয়া ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গোয়েন্দাদের প্রযুক্তি নজরদারিতে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল টেলিফোনে বলেন, হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং আবদুল কাইয়ুম কমিশনারের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। দেশে তাদের প্রচলিত আইনের মুখোমুখি করা হবে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি খুনের পরপরই ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল দেশত্যাগের পরিকল্পনা করেন। মূলত গ্রেফতার এড়াতেই তিনি দেশ ছাড়তে মরিয়া হয়ে উঠেন। এজন্য প্রথমেই লন্ডনে যোগাযোগ শুরু করেন। কিন্তু সেখান থেকে তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। তাকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। এ মাসের ২০ তারিখের আগে তাকে দেশ ছাড়ার সবুজ সংকেত দেয়া হয়। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঢাকা থেকে সড়কপথে রংপুর যান। সেখান থেকে লালমনিরহাটের বুড়িমারী সীমান্তের কাছাকাছি কোনো এলাকা ব্যবহার করে ভারত পৌঁছান। এর আগে সোহেল ও তার ঘনিষ্ঠরা দিনাজপুরের হিলি ও জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তসহ আরও একাধিক সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগ করেন। কিন্তু কেউ নিরাপদে পার করে দেয়ার আশ্বাস দিতে পারেননি বলে ঝুঁকি নেননি।

ভারতেও যাওয়ার আগে সোহেল প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্রও গুছিয়ে নেন। এর ফলে ওই দেশ থেকে লন্ডন যাওয়ার পথ সুগম হয়েছে। ভারত থেকে লন্ডন, রংপুর ও ঢাকায় তিনি কয়েক দফা যোগাযোগ করেন এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এ সময় তিনি দুই বিদেশী নাগরিক খুনের বিষয়ে এক ছাত্র নেতার সঙ্গে কথা বলেন।

আইনশৃংখলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সাবেক ছাত্র নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে সহায়তা করেছেন আরও দুই ছাত্রদল নেতা। এ দুই নেতা সোহেলকে সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে যান এবং নিরাপদ পার করে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একটি গোয়েন্দা সংস্থা দুই ছাত্রদল নেতাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। ঘটনার পর এরা দু’জন রংপুরেই ছিলেন। সম্প্রতি তারা আত্মগোপন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাবিব উন নবী খান লন্ডনে যাওয়ার আগে ওই দেশে অবস্থানরত রাজনৈতিক নেতার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর সঙ্গে দফায় দফায় যোগাযোগ করেন। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে ফেসবুক আইডির মাধ্যমে সোহেল ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন। ওই ব্যবসায়ীর নামের আগে বা পরে চৌধুরী পদবি আছে। সেই চৌধুরী শব্দটি তার ফেসবুক আইডিতে তিনি ব্যবহার করেন। তথ্যপ্রযুক্তিগত অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে এ ব্যবসায়ীর সঙ্গে ২০১২ সাল থেকে সোহেলের যোগাযোগ। লন্ডনে থাকা সেই ব্যবসায়ী তাকে সব বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় গাইড লাইন দিয়ে থাকেন। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত ওই নেতার পরামর্শেই ব্যবসায়ী সোহেলসহ বাংলাদেশের অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ রক্ষা করেন।

ওই সূত্র আরও জানিয়েছে, জাপানি নাগরিক খুনের নেপথ্যের মাস্টার মাইন্ড সাবেক ওই ছাত্রনেতা বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন।

প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানে সোহেলের একটি ফেসবুক আইডির সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। আইডি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, লন্ডনে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। এ তথ্য পেয়ে গোয়েন্দারা প্রথমে বিস্মিত হন। কারণ সোহেল যুক্তরাজ্যে অথচ তার ফেসবুক ব্যবহৃত হচ্ছে চট্টগ্রামে। পরে বিষয়টি অনুসন্ধান করে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, অন্য একজন সোহেলের পক্ষ থেকে ফেসবুক হ্যান্ডল করছে। মূলত সোহেলের লন্ডন পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিভ্রান্তি ছড়াতে পরিকল্পিতভাবে কাজটি করা হচ্ছে।

যুগান্তর

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful