Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৩৭ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / শিক্ষা কর্মকর্তার পুত্র বলেই টেনশন ফ্রি; এক রাজিবের বহু বিয়ের গল্প

শিক্ষা কর্মকর্তার পুত্র বলেই টেনশন ফ্রি; এক রাজিবের বহু বিয়ের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিয়ে করাই যেন তার নেশা। একের পর এক বিয়ে করে সন্তানের বাবা হবার পরেই স্ত্রী ত্যাগের নজিরও রয়েছে তার। বহু বিয়েতে পেয়েছে অন্যরকম পরিচিতি। সে অন্য কেউ নয়, রংপুর মহানগরীর কামাল কাছনা এলাকার এক সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তার পুত্র কামরুল হোসেন রাজিব। প্রতারণার মাধ্যমে একাধিক বিয়ে করে নির্বিঘ্নে চলতে থাকা রাজীবের প্রতারণার শিকার এক হতভাগী স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছে আইনি সহায়তা নিয়ে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসের ব্লাষ্ট। রাজীবের প্রতারণার শিকার ওই স্ত্রীর পক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলাও করেছে ব্লাষ্ট।
মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর কামাল কাছনা এলাকায় বসবাসরত রংপুর বিএড কলেজের সাবেক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলদারের পুত্র কামরুল হোসেন রাজিব ১৯৯৯ সালে ২৯ এপ্রিল নগরীর কাজী নজরুল ইসলাম রোডস্থ হনুমানতলা এলাকার জনৈক মুক্তিযোদ্ধার কন্যা চায়না বেগমকে ছাত্রী অবস্থায় প্রেম প্রস্তাবের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। পরবর্তীতে চায়নার গর্ভে জন্ম নেয় শুভ নামের ফুটফুটে এক পুত্র সন্তান। স্বামীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জেনে অনেক হতাশায় দিন কাটে চায়নার। সন্তানের ৬ মাস বয়সে রহস্যজনক ভাবে হতভাগী চায়নার মৃত্যু হয়। এরপর চায়নার বাবার বাড়িতে শিশু শুভ’র ৩ বছর বয়স পার হলে তাকে রাজিবের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে চায়নার পরিবার।
এদিকে চায়নার মৃত্যুর পর রাজিবের প্রতারণার শিকার হয় একই এলাকার মৃত জিন্নাত আলীর কন্যা জুলেখা। ২০০৪ সালের ৯ মার্চ ৫১ হাজার ১শ’ ১ টাকা দেনমোহর ধার্য করে জুলেখাকে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করে রাজিব। এবার জুলেখার গর্ভে কামরুন্নাহার জুঁই নামের কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এ সন্তানের বয়সও ৫ মাস না যেতেই উধাও হয়ে যায় প্রতারক রাজিব। পালিয়েও বিয়ে রোগে আক্রান্ত রাজিব তার বিয়ের ফাঁদ থেকে রক্ষা করেনি ১ সন্তানের জননী আকলিমাকে। নগরীর সেন্ট্রাল রোডে বসবাসকারী আমিনুল ড্রাইভারের স্ত্রী ১ সন্তানের জননী আকলিমাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করে ।
এদিকে রাজিবের প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীরা জানায়, ইতোমধ্যে লম্পট রাজিব আরো দু’টি বিয়ে করছে। আলালের ঘরের দুলাল, সুদর্শন চেহারার নায়ক বেকার বাবু রাজীব যাকেই বিয়ে করেছে তার সাথেই প্রতারণার মাধ্যমে কিংবা হতভাগী স্ত্রী’র পরিবারকে জিম্মি করে অর্থকড়ি লুটে ফসকে পড়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা তার আড়াই বছরের কন্যা সন্তান জুঁইকে নিয়ে বিধবা মায়ের কাছে অবর্ণনীয় অভাব-অনটনের মাধ্যমে জীবন কাটাচ্ছে। জুলেখার এ মানবতার অবস্থা দেখে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসের ব্লাষ্ট। প্রথম পর্যায়ে পারিবারিক ভাবে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে ২০০৬ সালে রংপুর কগনিজেন্স আদালত- ২ এ যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করে ব্লাষ্ট। মিস্ পিটিশন নং- ৭৪/০৬। আদালত তদন্তের জন্য রংপুর পৌরসভায় প্রেরণ করে। তদন্তকারী ওয়ার্ড কমিশনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন পেশ করেন। এদিকে আদালত কর্তৃক আসামীদের প্রতি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। অসহায় জুলেখা বেগম র‌্যাব-৫ রংপুর কার্যালয়েও সহায়তা চেয়ে আবেদন করেও কোনো বিচার পায়নি বলে জানা গেছে। এদিকে ২০১২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত প্রতারক রাজিবকে স্ব-শরীরে আদালতে হাজির হওয়ায় নির্দেশ দিলেও সে প্রতারণা চাদরে গা ঢেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যোগসাজোসে আড়াল থেকে যায়।
এদিকে দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা ভণ্ড প্রতারক কামরুল হোসেন রাজিবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি চেয়ে যেন তার তার মতো আর কোনো অভাগীর জীবন এভাবে অংকুরেই বিনষ্ট না হয় সেজন্য প্রশাসন ও সচেতন সমাজের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful