Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১১ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ১৩ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / সাভার ট্রাজেডি: রংপুরে ৪ গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু: নিখোজ ২০

সাভার ট্রাজেডি: রংপুরে ৪ গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু: নিখোজ ২০

রংপুর প্রতিনিধি: ঢাকার তাজরীন গার্মেন্টেস ফ্যাক্টরীতে ১৪ গার্মেন্টস কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার রেশ না কাটতেই আবারো সাভার ট্রাজেডির ঘটনায় ৪ গার্মেন্টস কর্মী নিহত হলো । নিখোজ রয়েছে অন্তত ২০ জন। রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার নিহত এবং নিখোজ পরিবারে চলছে এখন শোকর মাতম। স্বজনদেরে আহাজারিতে সেখানকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ঠ পরিবারের সূত্রে জানা গেছে সাভারের ৮ তলা ভবন ধসের ঘটনায় সেখানে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে কাজ করতো অন্যান্য জায়গার মতো রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের সহায় সম্বলহীন গার্মেন্টস কর্মী। ভবন ধসে যাওয়ার পর গত ২৪ ঘন্টায় ৪ জনের মৃত দেহ উদ্ধার করার পর তাদের স্বজনরা লাশ সনাক্ত করলে লাশ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভার থেকে ২ জনের লাশ তাদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয় । এরা হলেন আরজিনা বেগম (২২) পিতা সোহরাব আলী বাড়ি মিঠাপুকুর উপজেলার শঠিবাড়ি মির্জাপুর গ্রামে । অপরজন হলেন দুলালী বেগম স্বামী মতিয়ার রহমান বাড়ি একই উপজেলার রামেশ্বর গ্রামে। বিকেলে দু জনের জানাযা শেষে তাদের দাফন করা হয় । এ সময় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা হারুনর রশীদ সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এদিকে আরজিনা বেগম আর দুলালী বেগমের লাশ নিয়ে আসা হলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। স্বজনদের আহাজারি আর আর্তনাদে শত শত মানুষের কেউই তাদের অশ্র“ সংবরন করতে পারেনি। নিহত আরজিনা বেগমের স্বজনরা অভিযোগ করেছে ভবনটির ফাটল ধরার পরেও গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর মালিক পক্ষ জোর করে তাদের কাজ করাতে বাধ্য করে। ভবন ধসে যাবার আধা ঘন্টা আগেও তা ছোট বোনের সাথে কথা হয়।

তারা ঘটনার সাথে জড়িত মালিকদের গ্রেফতার ও তাদের ক্ষতিপুরন দাবি করে তারা।

এদিকে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে আরো দুজন গার্মেন্টস কর্মীর লাশ সাভার থেকে তাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে বলে নিহতদের স্বজনরা জানিয়েছে । এরা হলেন শ্যমলী বেগম পিতা নেফাজল মিয়া গ্রাম বালারহাট কঞ্চিবাড়ি এবং রাবেয়া বেগম লাইজু স্বামী বাদশা মিয়া গ্রাম খোড়াগাছ মন্ডলপাড়া।

এ ছাড়াও ৩ জন এখন পর্যন্ত নিখোজ রয়েছে বলে জানা গেছে এরা হলেন সংগ্রামপুর গ্রামের মোরশেদুল ইসলাম , শেরপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম , জারুল্লাপুর গ্রামের আজ্ঞুয়ারা বেগম । এ ছাড়াও আরো ৬ জন নিখোজ রয়েছে বলে জানা গেছে ।

এ ব্যাপারে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা হারুনর রশীদ জানান এ পর্যন্ত দু জনের লাশ মিঠাপুকুরে এসে পৌচেছে। আরও ২টি লাশ আসছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তিনি জানান মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি আশংকা করছেন। ইউএনও জানান নিহত পরিবার প্রতি ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে । এ ছাড়াও উপজেলা কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful