Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১০ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ০৯ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / সংসারের সচ্ছলতা আনার স্বপ্ন পূরণ হলোনা সাদুল্যাপুরের গার্মেন্টসকর্মী রেবা খাতুনের

সংসারের সচ্ছলতা আনার স্বপ্ন পূরণ হলোনা সাদুল্যাপুরের গার্মেন্টসকর্মী রেবা খাতুনের

জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ, গাইবান্ধা: সাভারের রানা প্লাজা ধ্বসের ঘটনায় নিহত গার্মেন্টকর্মী রেবা খাতুনের (১৭) মরদেহ এসে পৌঁছেছে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে। বৃহস্পতিবার উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পূর্ব দামোদরপুর (বুডিরভিটা) গ্রামে মরদেহটি এসে পৌছায়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। মেয়ে হারানোর শোকে পিতা শাহজালাল শোকে নিথর হয়ে গেছেন। মা রহিমা বেগম বারবার বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ছেন। বোনকে হারিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী রোকসানা খাতুনের কান্না যেন থামছে না। চোঁখে মুখে প্রিয় বোনকে ফিরে পাবার আকুতি।

নিহত রেবা খাতুনের পিতা শাহজালাল জানান, বসতবাড়ির ভিটে ছাড়া আর কোন সম্বল নেই। সংসারে অভাবের তাড়নায় কয়েক বছর আগে দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে সাভারের ইমান্দাপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। পরে ৬ হাজার টাকা বেতনে সাভারের সিটি সেন্টারের নাইট গার্ডের চাকুরী নেই। স্ত্রী রহিমা বেগম অন্যর বাসা-বাড়িতে ঝি এর কাজ করতেন। ছোট মেয়ে রোকসানা খাতুন ইমান্দাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো। দুজনের সামান্য আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া ছোট মেয়ের লেখাপড়া, বাসা ভাড়া ও সংসার দুঃখ-কষ্টে চলছিল। এ অবস্থায় সংসারের সচ্ছলতা আনার স্বপ্ন নিয়ে বড় মেয়ে রেবা খাতুন গার্মেন্টসে কাজ করতে চায়। পরে ৮ মাস আগে ৩ হাজার টাকা বেতনে “রানা প্লাজার” তিন তলার একটি গার্মেন্টসে আইরনম্যানের কাজ নেয়। মা রহিমা বেগম জানান, মেয়েকে গার্মেন্টসে কাজ করতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু মেয়ে তা শোনেনি, সে বলেছিল মা সংসারের ভালোর জন্যই তো কাজ করতে চাই। পরে কাজ শুরু করে প্রতিমাসের বেতনের টাকা আমার হাতে তুলে দেয়। মেয়ে সবসময়ে সংসারের সচ্ছলতা ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু আমার মেয়ের সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না। মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা মনে করে বারবার মূর্ছা যান।

দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান মুন্সি জানান, নিহত রেবার দাফন সঠিকভাবে করাসহ তার বাড়ী গিয়ে পিতা-মা, বোন ও স্বজনদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবুও এ সান্ত্বনায় দরিদ্র স্বজন-হারা পরিবারটির কান্না কিছুতেই থামছেনা।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful