Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৫১ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / গাইবান্ধায় স্বপ্নের পামগাছে দুঃস্বপ্নের ফল

গাইবান্ধায় স্বপ্নের পামগাছে দুঃস্বপ্নের ফল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: পামের চাষ করে বিপদে পড়েছেন গাইবান্ধার পাম চাষিরা। সফলতার স্বপ্ন দেখানো পাম এখন চাষিদের গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।ফল প্রক্রিয়াজাতের ব্যবস্থা না থাকায় অজানা আশঙ্কায় দিন কাটছে তাদের। প্রায় ১২ হাজার পাম গাছ নিয়ে এখন বিপাকে পাঁচ শতাধিক চাষি। তাই সম্ভাবনাময় পামচাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কথা ভাবছেন কৃষকদের অনেকেই।

হাসান আলী একজন পল্লী চিকিৎসক। কিন্তু কৃষি নিয়ে সবসময় ভাবেন তিনি। সরকারি-বেসরকারি প্রচারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ধানের জমিতে পামচাষ শুরু করেন হাসান আলী। তাকে স্বপ্ন দেখানো হয়েছিলো ধানের চেয়ে পামচাষে ফলন বেশি হবে। এ আশায় সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে নিজের ৩ বিঘা জমিতে ধানের বদলে পামচাষ শুরু করেন। প্রায় লাখ টাকা ব্যয়ে ১শ’ পামচারা লাগান তিনি। অণুকুল আবহাওয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের হাড়ভাঙা খাটুনির ফলে পামের ফলনও বেশ ভালো হয়।

হাসান আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম জানান, চারা লাগানোর আড়াই বছর পর পামের ফলন আসলেও কোনো লাভ হয়নি। এখন নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পামের ফল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এমনকি বেশকিছু গাছ মরেও গেছে।হাসান আলীর আরেক ছেলে নুরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চেয়েও কোনো লাভ হয়নি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কৃষি বিভাগের উপপরিচালক পর্যন্ত গিয়েছি তারা কোনো সহযোগিতা না করে ফিরিয়ে দেন। বাধ্য হয়ে বাজারের ওষুধের দোকানিদের সঙ্গে পরামর্শ করে জমিতে ওষুধ ব্যবহার করতে হচ্ছে। তাতেও কোনো লাভ হচ্ছে না।

এদিকে পামের ফল থেকে কোন প্রক্রিয়ায় তেল বের হবে তাও জানে না পাম চাষিরা। সে সময় যেসব বেসরকারি সংগঠন কৃষকদের পামচাষে উদ্বুদ্ধ করেছে সেই সংগঠনগুলো এখন পাম চাষিদের পাশে নেই। এ পরিস্থিতিতে প্রায় ১২ হাজার পাম গাছ নিয়ে হাসান আলীর মতো অজানা আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন পাঁচ শতাধিক পামচাষী।

সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট গাইবান্ধা জেলা সভাপতি আহসানুল হাবীব সাঈদ বলেন, সরকারি উদ্যোগে পামের ফল প্রক্রিয়াজাত না করলে পামচাষীদের লাখ লাখ টাকা লোকসান হবে। সম্ভাবনাময় এই পাম চাষকে লোকসানের হাত থেকে রা করতে না পারলে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মীর মো. আব্দুর রাজ্জাক চাষিদের অসহযোগিতার কথা অস্বীকার করে বলেন, পাম ফল প্রক্রিয়াজাতের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিন না থাকায় চাষিদের কোনো পরামর্শ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে পাম প্রক্রিয়াজাতের ব্যবস্থা করা হলে কৃষকরা উপকৃত হবেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful