Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৩৫ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আমদানিকৃত ৯৩টি ট্যাংক ওয়াগন সচল করা হলো

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আমদানিকৃত ৯৩টি ট্যাংক ওয়াগন সচল করা হলো

ইনজামাম-উল-হক,নীলফামারী ১৩ মে॥ দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আমদানি করা ৯৩টি ট্যাংক ওয়াগন চলাচল উপযোগী করা হয়েছে। গত প্রায় এক মাস ধরে ওই ট্যাংক ওয়াগনগুলো রেলওয়ে কারখানার ওয়াগন শপে (উপ-কারখানা) সচল (ডি প্রসেসিং) করা হয়। গত শনিবার ৩১টি ট্যাংক ওয়াগন পাকশী রেলওয়ে বিভাগকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় ঋণের টাকায় এয়ারব্রেক (হাওয়া) স¤পন্ন আধুনিক ওই ট্যাংক ওয়াগনগুলো কেনা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজ (বড়) লাইনে চলাচল উপযোগী ওই ট্যাংক ওয়াগনগুলো (বিটিও) সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমদানি করা ১৬৫টির মধ্যে ৯৩ ট্যাংক ওয়াগন সৈয়দপুরে এসে পৌঁছে। প্রতিটি ট্যাংক ওয়াগনের ধারণ ক্ষমতা কেরোসিন ৫০ হাজার লিটার, পেট্রোল ৫০ হাজার লিটার, ডিজেল ৪৮ হাজার ১৪৮ লিটার ও ফার্নেস ওয়েল ৪৩ হাজার ৯৬৪ লিটার। একটি ইঞ্জিনের মাধ্যমে ৩১টি ট্যাংক ওয়াগন টেনে নিয়ে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া যাবে।
সে অনুযায়ী এসব দিয়ে ৬টি বহর (রাক) তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিটি রাকে একটি করে ব্রেকভ্যান সংযোজনা করা হবে। ফলে ৬টি ব্রেক-ভ্যানও আনা হয়েছে ভারত থেকে। ওই ব্রেক-ভ্যানগুলো সৈয়দপুর কারখানার ওয়াগন শপে সচল করা হয়েছে। গত এক মাসে সৈয়দপুর কারখানায় এ সবের প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ স¤পন্ন হয়। এ ধরনের পর্যবেক্ষণকে রেলওয়ে প্রকৌশলীরা ডি প্রসেসিং বলছেন। কারখানায় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোজনসহ প্রয়োজনীয় মেরামতও করা হচ্ছে ওই ডি প্রসেসিংয়ের আওতায়। অর্থাৎ বাংলাদেশ রেলপথে চলাচলে এসব বাহনকে সচল করে তোলা হচ্ছে।
দেশের সেচ কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল যাতে কম খরচে কৃষকের কাছে পৌঁছানো হয় এ জন্য ট্যাংক ওয়াগনগুলো আমদানি করা হয়েছে। রেলওয়ের কাছে এ ধরনের ২১৮টি ট্যাংক ওয়াগন রয়েছে। তবে তা পর্যাপ্ত নয়। সে জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহে নতুন ১৬৫টি ট্যাংক ওয়াগন আমদানির উদ্যোগ নেয় সরকার। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ওয়ার্কর্স ম্যানেজার (ডাবুএম) কাজী মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, এ যাবত আমরা ৯৩টি ট্যাংক ওয়াগন ডি প্রসেসিং করেছি। এসব জ্বালানি তেল পরিবহনে এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে।
এ নিয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মঞ্জুর-উল-আলম চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, সেচ সংকট মোকাবেলায় এসব ট্যাংক ওয়াগন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অনেক কম খরচে জ্বালানি তেল কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে। এছাড়াও ডিজেল চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতেও ওই ট্যাংক ওয়াগনের মাধ্যমে জ্বালানি পৌঁছানো হবে। তিনি জানান, সৈয়দপুর রেল কারখানায় ওই ট্যাংক ওয়াগনগুলো ডি প্রসেসিংয়ে স্থানীয় শ্রমিকের দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে বাকী ট্যাংকগুলো এখানে সচল করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful