Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৯ : ৫৭ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / মোবাইলে পরিচয়, প্রেম অতঃপর অপহরণ; ৭ মাস পর ভারতের পতিতালয় থেকে পঞ্চগড়ের কলেজ ছাত্রী উদ্ধার

মোবাইলে পরিচয়, প্রেম অতঃপর অপহরণ; ৭ মাস পর ভারতের পতিতালয় থেকে পঞ্চগড়ের কলেজ ছাত্রী উদ্ধার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে অনার্স পড়ুয়া ২য় বর্ষের এক ছাত্রীকে অপহরণের ৭ মাস পর ভারতের হায়দ্রাবাদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মোবাইল ফোনে পরিচয় অতঃপর প্রেমের সম্পর্ক। এক পর্যায়ে চাকুরীর কথা বলে গত বছরের ১২ অক্টোবর ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে কথিত প্রেমিক সেলিম (২৮); তার বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের সিংরোড গ্রামে। পরে তাকে ভারতের এক পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয় সেলিম। অপহরণের অভিযোগে ইতিমধ্যে মুল হোতা সেলিমসহ তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে ওই ছাত্রীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমানুয়ন কবীর এবং অপহৃতা কলেজ ছাত্রী বৃহষ্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের জানায়, মোবাইলে ফ্লাক্সি লোডের সূত্র ধরে স্থানীয় কলেজের ২য় বর্ষের অনার্স পড়ুয়া ওই ছাত্রীর নাম্বার পায় অপহরণকারী সেলিম।

সে পঞ্চগড় শহরে একটি মোবাইল কোম্পানির কাস্টমার কেয়ারের ম্যানেজার ছিল। এরপর রং নাম্বারের কল আসে মেয়েটির ফোনে। পরিচয়ের এক পর্যায়ে প্রেম হয় দুজনের। কথিত প্রেমিক মেয়েটিকে ঢাকার র‌্যাংস ভবনে চাকুরীর লোভ দেখায় সেলিম। বাসায় অভিমানের সুযোগ নিয়ে বিয়ে এবং চাকুরী লোভ দেখিয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে সেলিম ঢাকায় নিয়ে যায়।

সেখানে সাতক্ষীরা জেলার দুই সহযোগী ফারুক ও লিয়াকত তাদের সাথে যোগ দেয়। তারা চারদিন ঢাকার হোটেলে থাকে।এরপর তাকে নিয়ে সাতক্ষীরায় যায় অপহরণকারীরা। সেখানে পাঁচদিন থাকার পর যশোরের বেনাপোল সীমান্তের একটি সূরঙ্গ নদীপথে অবৈধভাবে তাকে ভারতের হায়দ্রবাদের নিয়ে যায় সেলিম, ফারুক ও লিয়াকত।

তারা হায়দ্রবাদের একটি পতীতালয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে অপহরণকারীরা বাংলাদেশে চলে আসে। পরে মেয়েটি এক খদ্দেরসহ ভারতের পুলিশের কাছে ধরা পরে। এক পর্যায়ের সেই মেয়েকে ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে ভারতের হাজত থেকে বের করে সেই খদ্দের।

এরপর ভারতের সেই খদ্দের পঞ্চগড়ে অপহৃত কলেজ ছাত্রীর ভাইকে ফোন করে তার মুক্তিপনের জন্য ৫ লাখ টাকা দাবি করে। বোন অপহরণ হয়ে ভারতে পাচার হয়েছে বুঝতে পেরে ঘটনার প্রায় দুইমাস পর ৭ ডিসেম্বর মেয়েটির ভাই বাদী হয়ে সেলিমসহ আরও দুইজনের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় থানায় একটি মামলা করেন।

পরদিন অপহরণে সহযোগিতার অভিযোগে চাকলাহাট ইউনিয়নের সিংরোড এলাকার আশিকুর ও আজিজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের সহযোগীতায় মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা পঞ্চগড় থানার এসআই মহিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ১০ ডিসেম্বর ঢাকার ফার্মগেট এলাকা থেকে অপহরণকারী সেলিমকে গ্রেফতার করে। এরপর সেলিম আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়।
এদিকে মুক্তিপন চাওয়ার অজুহাতে অপহৃত কলেজ ছাত্রীর সাথে তার ভাইয়ের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রায় যোগাযোগ হতো। এরপর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে কয়েকদফা আলোচনা পর উভয় দেশের মানবাধিকার সংস্থার মাধ্যমে অপহৃত কলেজ ছাত্রীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।

২২ মে বুধবার বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার স্থানীয় প্রতিনিধি আব্দাল আদিল রুবেলের মাধ্যমে অপহৃতাকে পঞ্চগড় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful