Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৪৬ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / কাকিনা মহিমারঞ্জন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য; ১১ লাখ টাকা আত্মসাত

কাকিনা মহিমারঞ্জন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য; ১১ লাখ টাকা আত্মসাত

imagesনিয়াজ আহম্মেদ সিপন,কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট)  প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের কাকিনা মহিমারঞ্জন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো. আসাদুজ্জামান ও সভাপতি শাহ্ আলম যোগসাজসিক ভাবে ১১ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, বিদ্যালয়ে ২জন সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) নিয়োগের জন্য জন প্রতি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে মোট ১১ লাখ টাকা আত্মসাত করেন। বিদ্যালয়ে সৃষ্ট শাখা সমূহে পর্যাপ্ত পরিমাণ ছাত্র-ছাত্রী না থাকার পরেও একাধিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য অনুমোদনের চেষ্টা চালান প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি। প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ে বিধি মোতাবেক অনুমোদন সহ একাধিক পত্রিকায় শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ব্যাংক ড্রাফট সহ মোট ১৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে আবেদন করেন। যার প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি সমন্বয় পরিকল্পিত একটি শিক্ষক নিয়োগ কমিটি গঠন করা হয়। অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় তামান্না ইয়াসমিন, সামছুল ইসলাম, রুবিনা বেগম সহ মোট ১১ জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের পূর্ব সিদ্ধান্ত থাকলেও প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি শাহ্ আলম পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত ফলাফল জালিয়াতি করে বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ্ আলমের পূর্বের মনোনীত জনৈক শিমুলী বেগম ও প্রধান শিক্ষক আশাদুজ্জামানের মনোনীত ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল ইসলামের সহধর্মীনি আকলিমা বেগম কে নিয়োগ প্রদান করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি অন্যান্য সদস্যরা অবৈধ ভাবে শিক্ষক নিয়োগের বিরোধিতা করলে সভাপতি শাহ্ আলম স্থানীয় প্রভাবে অপর সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায় নিয়োগ নিমিত্তে প্রার্থীদের নিকট হতে আদায় কৃত টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফান্ডে জমা করার সিদ্ধান্ত নেন সভাপতি শাহ্ আলম। পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সভাপতি শাহ্ আলম ও প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান রাতারাতি বিক্ষুদ্ধ কতিপয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের জন প্রতি ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি বিদ্যালয় উন্নয়ন ফান্ডে ১১ লাখ টাকা জমা না করে ব্যক্তিগত ভাবে আত্মসাত করেন।

শিক্ষক নিয়োগ ও অর্থ আত্মসাত প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মো. আশাদুজ্জামান বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব হলেও কোন নিয়োগ পত্র ও নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইলে আমি স্বাক্ষর করি নাই। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বানোয়াট, সবকিছু অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ্ আলম এককভাবে করেছেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সভাপতি শাহ্ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয় সভাপতি নির্বাচনের জন্য ৫ লাখের বেশি টাকা খরচ করেছি। ক্ষমতা থাকা কালীন সময় ওই টাকা উঠাতে হবে, বিরোধী অন্যান্য সদস্যদের ম্যানেজ করতে হয়েছে। পত্রিকায় লিখে কোন লাভ হবে না, বৈধ ভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

কাকিনা মহিমারঞ্জ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্যতম দাতা সদস্য বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে আর্থিক লেনদেন অবৈধ, আমি দেশের বাইরে থাকার সুবাদে প্রধান শিক্ষক আশাদুজ্জামান ও সভাপতি শাহ্ আলম পরিকল্পিত ভাবে আর্থিক লেনদেন করেছে বলে আমি শুনেছি, আমি বৈধ ভাবে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছি। শিক্ষক নিয়োগে যদি আর্থিক লেনদেন করা হয়ে থাকে তাহলে ওই টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফান্ডে জমা করতে হবে।

সব মিলিয়ে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নিয়োগ সংক্রান্ত পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা স্থানীয় ভাবে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বিষয়টি ‘টক অব দ্যা ভিলেজ’-এ পরিণত হয়েছে। স্বনামধন্য এই বিদ্যালয়ে জালিয়াতি করে শিক্ষক নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful