আর্কাইভ  রবিবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ● ১০ আশ্বিন ১৪২৯
আর্কাইভ   রবিবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
 
 
শিরোনাম: উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা কমার আভাস       অস্কারে যাচ্ছে ‘হাওয়া’       রংপুরে জাপানি নাগরিক হত্যায় ইছাহাকের খালাসের আদেশ স্থগিত       রংপুরে ভুয়া চাকুরীদাতা প্রতারক চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার       মরিয়ম মান্নানের মা জীবিত উদ্ধার; ছিলেন স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে      

ইতালিয়ান স্বামীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয় রত্নার

মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সকাল ০৭:৫৬

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন ইতালিয়ান যুবক আলী সান্দ্রে চিয়ারোমিন্তে ও বাংলাদেশী মেয়ে রত্না রানী দাস৷ প্রেমকে প্রণয়ে রুপ দিয়ে রত্নার নিজ বাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে সম্পন্ন হয় তাদের৷ বিয়ের এক মাস পর রত্নাকে রেখে ইতালিয়ান যুবকের চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের কথা রটেছে। কেউ বলছেন রত্মাকে রেখে উধাও ইতালিয়ান যুবক, আর কেউ বলছেন অর্থের লোভে তার পরিবার এ বিয়ে দিয়েছেন৷ তবে গণমাধ্যমের সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে নারাজ রত্মা ও তার পরিবার। 

রত্না রানী দাসের (১৯) বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের বালীয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের খোকোপাড়া গ্রামে। তার বাবা দিনমজুর মারকুস দাস।

গত ২৫ জুলাই সোমবার ভালোবাসার টানে নিজ দেশ ইতালি থেকে এসে আলী সান্দ্রে চিয়ারোমিন্তে (৩৯) ও সনাতন ধর্মের রীতি অনুযায়ী রত্না রানী দাসের (১৯) সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

রত্নার কাকা সমবারু বলেন, আমাদের জামাই পালিয়ে যাননি৷ অনেকে এটি ভূল প্রচার করছেন৷ আমাদের সাথে ও রত্নার সাথে জামাইয়ের যোগাযোগ রয়েছে। প্রতিনিয়ত তারা সাথে আমরা কথা বলি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মেয়েকে জামাই নিয়ে যাবেন ইতালি৷

চাড়োল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরাও সেই ইতালিয়ান যুবকের নামে নানা ধরনের কথা শুনেছি৷ সেই ছেলের বউ ও বাচ্চা আছে। এখান থেকে সে পালিয়ে গেছে। এ বিষয়গুলো শুনার পর আমি তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করি। তারা আমাকে বলেন তাদের জামাইয়ের সাথে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে কোন ধরনের সমস্যা নেই। তারা চেষ্টা করছেন খুব দ্রুত মেয়েকে জামাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার৷ তাদের কথা অনুযায়ী বলা যায় যা গুজব হচ্ছে তার কোন সত্যতা নেই। যেহেতু আমরা এখানে আছি আর ছেলে ইতালিতে তাই কোন মন্তব্য করা ঠিক হবেনা৷ আর মেয়েটির চাচা জোসেফ সেই যুবকের সাথে এক সাথে কাজ করেন। আর তার চাচা নিজে দেশে এসে তাদের বিয়ে দেন৷ একজন চাচা তার আপন ভাজতিকে কখনো বিপদে ফেলবেনা বলে আমরা মনে করছি। আরো কিছুদিন গেলে আসল বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে আমরা আশা করছি। 

চাড়োল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার চ্যাটার্জি বলেন, আমরা শুনেছি সেই ইতালিয়ান যুবক চলে গেছেন৷ তারপর অনেক জনে নানা মন্তব্য আমরা জানতে পারি। তারপর আমি মেয়েটির বাবার সাথে যোগাযোগ করি৷ তিনি বলেছেন মেয়েটির যাওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর তার জামাইয়ের সাথে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।  

মন্তব্য করুন


Link copied