আর্কাইভ  বুধবার ● ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ● ১৯ মাঘ ১৪২৯
আর্কাইভ   বুধবার ● ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
 width=
 width=
শিরোনাম: হিলি সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবি মুখোমুখি        আগামী দুদিনে সারাদেশের তাপমাত্রা কমতে পারে       পাগলের কুড়ালের কোপে প্রাণ গেল ধান ব্যবসায়ীর       বাংলাদেশের কোচ হাথুরুসিংহে       নীলফামারীতে হাজতখানার আসামীদের বসার জন্য কার্পেট উপহার দিলেন মানবিক বিচারক       
 width=

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ;ফসল নষ্টের আশংকা

সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২, রাত ০৮:১৫

সাইফুর রহমান শামীম: টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের  নদ-নদীর পানি বেড়ে তলিয়ে গেছে বোরো ধান, পেয়াজ, ভুট্টা ও শাকসবজির ক্ষেত । এর মধ্যে নিচু এলাকার ক্ষেত এর পুরো  ফসল নষ্টের আশঙ্কা  করছেন কৃষক। তবে কৃষি  বিভাগ বলছে নতুন করে উজানের ঢল না আসলে এবং  বৃষ্টিপাত কমে গেলে  ক্ষতির পরিমান কিছুটা কমতে পারে। 
চৈত্র মাসে অসময় বৃষ্টি আর পাহাড়ী ঢলে কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজারহাট, কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরগুলোতে বোরো ধান, পিয়াজ, ভুট্টা, বাদাম, মরিচ, পটল, ঝিংগাসহ বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে । অসময় পানি চলে আসায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষক। ধার দেনা করে লাগানা ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের তিস্তার চরের কৃষক আফজাল হোসেন জানান, এনজিও থেকে লোন নিয়ে ৩ বিঘা জমিতে পিয়াজের আবাদ করেছি। কিন্তু বৃষ্ট ও উজানের ঢলে চরের জমিতে পানি ঢুকে সব নষ্ট হয়ে গেছে। 

চিলমারী উপজেলার অষ্টমীর চরের কৃষক আবু বকর সিদ্দিক জানান, চরের জমিতে মরিচ, পটল চাষ করেছি, ঝিংঙা চাষ করেছি। সব অসময়ের পানিতে তলিয়ে শেষ হয়ে গেছে। অন্যান্য বছর এসময় পানি না আসলেও এবার এসব শেষ করে দিল।

সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের ধরলার পাড়ের কৃষক ইয়াকুব আলী জানান, নদীর পাশে প্রায় এক একর পরিমান জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছিলাম। সব তলিয়ে গেছে। সামান্য কিছু কেটে আনতে পারছি। বাকী সব পানির নীচে। 

বোরো ধান পুরোপুরি না পাকলেও নদ-নদীর অববাহিকার অনেক কৃষক গরুর খাদ্যর জন্য পানিতে তলিয়ে থাকা আধা পাকা ধানেই কেটে ঘরে আনছেন। সার, কীটনাশক, বীজসহ সব মিলিয়ে অনেক  টাকা খরচ করে চরের পলি জমিতে লাগানো বিভিন্ন সবজি জাতীয় ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পথে বসার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে অনেক কৃষকের।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুর রশীদ জানান, জেলার নদ-নদী তীরবর্তী এলাকার চরাঞ্চলে প্রায় ৬শ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসলের ক্ষেতে পানি ঢুকে পড়েছে। তবে উজানের পানি আসা কমে গেলে এবং অভ্যন্তরীণ বৃষ্টিপাত কমে গেলে ক্ষতির পরিমান কিছুটা কমতে পারে। 

মন্তব্য করুন


Link copied