আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ৬ ডিসেম্বর ২০২২ ● ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
আর্কাইভ   মঙ্গলবার ● ৬ ডিসেম্বর ২০২২
 width=

 

রংপুর সিটি নির্বাচন: দলীয় কোন্দলে পরাজয়ের আশঙ্কা আ.লীগ প্রার্থীর

রংপুর সিটি নির্বাচন: দলীয় কোন্দলে পরাজয়ের আশঙ্কা আ.লীগ প্রার্থীর

রংপুর সিটিতে ইভিএম সম্পর্কে জানেন না ৯০ শতাংশ ভোটার

রংপুর সিটিতে ইভিএম সম্পর্কে জানেন না ৯০ শতাংশ ভোটার

রংপুর সিটি নির্বাচনে ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

রংপুর সিটি নির্বাচনে ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

রংপুর সিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে জেলা আ'লীগের মতবিনিময়

রংপুর সিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে জেলা আ'লীগের মতবিনিময়

 width=
শিরোনাম: বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু       স্কুলে ভর্তির লটারির তারিখ পরির্বতন       আগামী বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় হবে পাকিস্তানের দ্বিগুণ       ব্যায়াম করার সময় হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু       রংপুরে নবাগত জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীনের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়      
 width=

ঘোড়াঘাট ইউএনও হত্যা চেষ্টা মামলার রায়ে রবিউলের ১৩ বছর জেল

মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২, দুপুর ১২:০৯

শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে হত্যা চেষ্টা চাঞ্চল্যকর মামলার রায়ে পৃথকভাবে দু'টি ধারায় আসামি রবিউল'কে ১৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সেইসাথে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৯ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদালত ঘোষণা দিয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর আদালতের পিপি এডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম এবং আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান। 

দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালত- ৩ এর বিচারক বেগম সাদিয়া সুলতানা আজ মঙ্গলবার সকালে এই রায় প্রদান করেন।

পাবলিক পসিকিউটর- পিপি এডভোকেট মো.রবিউল ইসলাম জানান, হত্যা চেষ্টা দ.বি. ৩০৭ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাস কারাদণ্ড এবং আঘাত করা দ. বি. ৩২৫ ধারায় ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের আরো কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট আব্দুস সামাদ-এক এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন,পিপি এডভোকেট রবিউল ইসলাম এবং এপিপি রঞ্জিত কুমার।

প্রসঙ্গত: সরকারী ডাক বাংলোয় ২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখকে হুত্যার প্রচেষ্টা চালায় দুর্বৃত্ত। ৩ সেপ্টেম্বর সকাল আটটায় তাদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের অবস্থার অবনতি হলে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকার জাতীয় নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে হস্থান্তর করে। এ ঘটনায় ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ইউএনও ওয়াহিদার ভাই শেখ ফরিদ ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনা সেময় টক অব দ্যা কান্ট্রিতে রূপ নেয়। এই স্পর্শকাতর ঘটনার পর সারাদেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিরাপত্তার জন্যে কার্যালয় ও বাসভবনে আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।

ওই মামলায় পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা বেশ কয়েকজনকে আটক করেন। এনিয়ে চলে বেশ নাটকীয় ঘটনা।

১১ সেপ্টেম্বর রাতে বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের বিজোড়া গ্রামের খতিব উদ্দীনের ছেলে ও ঘোড়াঘাটের ইউএনওর বাসভবনের চাকুরিচ্যুত কর্মচারী রবিউল ইসলামকে আটক করা হয়।

এরপর ২০ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিম আমলি আদালত-৭-এর বিচারক ইসমাইল হোসেনের কাছে হামলার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন রবিউল। পরদিন দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

আদালতের পাবলিক পসিকিউটর- পিপি এডভোকেট মো.রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, দিনাজপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে প্রথম থেকে মামলার কার্যক্রম পরিচালিত করা হয়েছে। পরে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৩ আদালতে হস্তান্তর করা হয়। সেখানেই গত ২৬ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়।

এ মামলায় ৫৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য নেয়া হয়। 

 

মন্তব্য করুন


Link copied