আর্কাইভ  রবিবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ● ১০ আশ্বিন ১৪২৯
আর্কাইভ   রবিবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
 
 
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম: পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে ২৪ জনের মৃত্যু       উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা কমার আভাস       অস্কারে যাচ্ছে ‘হাওয়া’       রংপুরে জাপানি নাগরিক হত্যায় ইছাহাকের খালাসের আদেশ স্থগিত       রংপুরে ভুয়া চাকুরীদাতা প্রতারক চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার      

রংপুরে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবিতে মানববন্ধন

বুধবার, ২৩ মার্চ ২০২২, বিকাল ০৭:৪৪

মমিনুল ইসলাম রিপন॥ সরকারি-বৈসরকারি বৈষম্য দুরিকরণের লক্ষ্যে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবীতে রংপুরে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সিমিতি (বিটিএ) রংপুর জেলা শাখা।

বুধবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক আসিব আহসানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন। মানববন্ধনে বাংলাদেশ শিক্ষক সিমিতি (বিটিএ) বংপর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আতিয়ার রহমান প্রামাণিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মােহাম্মদ আলীর সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন, প্রবীন শিক্ষক নেতা ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাসুম হাসান, রংপুর মহানগর সভাপতি আয়শা সিদ্দিকা, সাধারণ সম্পাদক শাহ মোঃ লুৎফর রহমান, জেলা সহ-সভাপতি আমজাল হােসেন, অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, রংপুর অঞ্চলের সভাপতি মুহা, আবুল মুযন আযাল, সাধারণ সম্পানক মোফাজ্জল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল আলম চৌধুরী, রংপুর সদর উপজেলা সভাপতি বাবু মুতগয় বর্মন ও সাধারণ সম্পাদক আখিনুরসহ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি অনেক বৈষম্য রয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীগণ বছরে দু'বার ২৫% উৎসব ভাতা, মাসিক এক টাকা বাড়ি ভাড়া ও পাঁচশত টাকা চিকিৎসা ভাতা পেয়ে থাকি। অবসরে যাবার পর অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। ফলে অনেক শিক্ষক/কর্মচারী টাকা পাওয়ার পূর্বেই অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করেন যা অত্যন্ত দুখজনক। তাছাড়া কয়েক বছর যাবৎ কোন বাড়তি সুবিধা ব্যতিরেকেই অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্ট খাতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তন করা হচ্ছে।

নানা কারণে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনও এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষকগণের বেতন স্কেল সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ে এক ধাপ নিচে প্রদান করা হয়।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলীর কোন সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির বয়স ৬৫ করা হলেও স্কুল- কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরির বয়স সীমা এখনও ৬০ বছরই রয়েছে। ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির সদস্যদের নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধরিত না থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। 

 

মন্তব্য করুন


Link copied