আর্কাইভ  সোমবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ● ১১ আশ্বিন ১৪২৯
আর্কাইভ   সোমবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
 
 
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম: কুড়িগ্রামে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ৬ শিক্ষক বরখাস্ত       রংপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ'লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বাবলু বহিষ্কার        রংপুর ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার       সংবিধান অনুযায়ই যথা সময়ে নির্বাচন হবে- রংপুরে সমাজকল্যান মন্ত্রী       পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে ২৪ জনের মৃত্যু      

রংপুরে সিআইডি’র হাতে জিনের বাদশা দম্পতিকে গ্রেফতার

রবিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২১, বিকাল ০৬:১৩

মমিনুল ইসলাম রিপন: রংপুরে জিনের বাদশা দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এরা হলো, রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের রফিক মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া ওরফে সবুজ মেম্বার (৪৩) ও তার স্ত্রী পারভীন বেগম (৩৩)।  
রোববার দুপুরে রংপুর সিআইডি’র অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আতাউর রহমান তার নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের জানান, ২০০৫ সালে রংপুর নগরীর শাপলা চত্ত্বর এলাকার এক ব্যবসায়ীর সাথে ছদ্মনামে সবুজ মেম্বার ও তার স্ত্রী পারভীন বেগমের পরিচয় হয়। কিছুদিনের মধ্যে ওই ব্যবসায়ীদের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরী হলে সবুজ মেম্বার নিজেকে জীনের বাদশা বলে পরিচয় দেয়। এরপর ব্যবসার অবস্থা সন্তোষজনক না বলে ওই ব্যবসায়ীকে সবুজ মেম্বার ডলার, প্রাচীন ধাতব মুদ্রা, স্বর্ণ মূর্তি, মূল্যবান পাথরের মূর্তি সংগ্রহ করে দিতে পারবে বলে জানায়। গায়েবী ডলার ব্যাংকে জমা করতে হবে বলে ওই ব্যবসায়ীর একটি ব্যাংক হিসাব খুলে চেক বইয়ের পাতায় স্বাক্ষর করে নেয় সবুজ ও তার স্ত্রী। সেই টাকা বস্তায় ভরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে পৌঁছে দেবে বলে জানান তারা। সবুজ ও তার স্ত্রীর প্রলোভনে পড়ে ওই ব্যবসায়ী তার জমি-জমা বিক্রি করে ৭৪ লাখ টাকা তাদের দেয়। টাকা পেয়ে সবুজ ও তার স্ত্রী পারভীন লাপাত্তা হয়ে যায়। পরে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পেরে ২০২০ সালের ২৭ জুলাই সবুজ ও তার স্ত্রী পারভীনের নামে মামলা করেন ওই ব্যবসায়ী। মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হলে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে সবুজ ও তার স্ত্রীর অবস্থান নিশ্চিত করাসহ তাদের গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু করে সিআইডি। প্রতারক সবুজ ও তার স্ত্রী পারভীন সাভার, নাটোরসহ বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করে প্রায় এক বছর পর মমিনপুরে আসে। খবর পেয়ে সিআইডি’র আভিযানিক দল শনিবার দুপুরে মমিনপুরের নিজ বাসা থেকে সবুজ মেম্বার ও তার স্ত্রী পারভীনকে গ্রেফতার করে।    
অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আতাউর রহমান বলেন, প্রতারণার টাকা দিয়ে সবুজ স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখলের চেষ্টা করে এবং স্থানীয় ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের হাত করার চেষ্টা করে। সবুজ ও তার স্ত্রী এর আগেও এ ধরনের প্রতারণা করেছিল কিনা কিংবা তাদের সাথে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

মন্তব্য করুন


Link copied