আর্কাইভ  রবিবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ● ১০ আশ্বিন ১৪২৯
আর্কাইভ   রবিবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
 
 
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম: পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ১৫ জনের মৃত্যু       উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা কমার আভাস       অস্কারে যাচ্ছে ‘হাওয়া’       রংপুরে জাপানি নাগরিক হত্যায় ইছাহাকের খালাসের আদেশ স্থগিত       রংপুরে ভুয়া চাকুরীদাতা প্রতারক চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার      

রংপুর মেডিকেলের দুই টয়লেটে বসেও দেখা যায় অপরকে

বুধবার, ২ মার্চ ২০২২, দুপুর ১০:০৩

স্টাফ রিপোর্টার: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৯ নং ওয়ার্ডের দুটি টয়লেটের মাঝের দেয়ালে প্রায় ৫ ইঞ্চি ফাকা অংশ দিয়ে দেখা যায় অপর টয়লেট ব্যবহারীকে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে অবহেলাই এর কারণ বলেছেন ভুক্তভুগিরা। 

হাসপাতালটির ৩য় তলায় অবস্থিত শিশু বিভাগের ৯নং ওয়ার্ডে রবিবার ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন রোগে চিকিৎসা নিতে আসা শিশু রোগীর সংখ্যা ৮০ জন। এছাড়াও রোগীর সাথে আসা লোকজন মিলে ওয়ার্ডের ৩টি ব্লকে আড়াই’শোর ও অধিক লোকের জনসমাগম ছিল বিকেলের সময়টায়। 

এসময় টয়লেট ব্যবহারকারীদের অনেকের অভিযোগ পুরুষ মহিলাদের টয়লেট আলাদাভাবে চিহ্নিত করে দেয়নি। অনেক শিশুর সাথে পুরুষ অভিভাবক আসে। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে হলে তাকে এই টয়লেটে আসতে হয়। অপর টয়লেটে নারী ব্যবহারকারী থাকলে সেটা বড় লজ্জার। এখানে নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ন হবার আশংকা রয়েছে।      

টয়লেটের এমন অবস্থা দেখে অনেকেই নিরুপায় ফিরে যাচ্ছেন, আবার হন্যে হয়ে অন্য ওয়ার্ডে খুঁজছেন টয়লেট সুবিধা। খুরশিদা বেগম নামের এক নারী বলেন, ডান পাশের ব্লকে ১টি বাথরুম ইতোমধ্যেই ব্যবহার হচ্ছে। অপরটিতে ছিটকিনি নেই। বামপাশের ব্লকের ট্রয়লেটের কথা তো আর বলাই যায়না। ওখানে বসলে তো মনে হয় মুখোমুখি হয়েই টয়লেট করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 
শাহানাজ বেগম নামক এক নারী বলেন, ‘হাসপাতালের বাথরুম বা টয়লেটে টাইলস লাগালে উন্নত হয়না। আগেও যেমন দেখেছি বাথরুম ট্রয়লেট নোংরা এখনও সেই। এখানে সার্বক্ষনিক ক্লিনার রাখা উচিৎ, কিন্তু দিনে দুই একবারের বেশি ওদের দেখা যায় না। প্রায় ৩টি টয়লেট ব্যবহারের অযোগ্য এনিয়ে মাথা ব্যাথা নেই। ২টি ট্রয়লেট মাঝের ওয়ালে ফাঁকা কিভাবে থাকে ভাবা যায় না। এখানে আমামের গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কি এই ব্যাপারে জানেন না, এটা দ্রুত ঠিক করে দেয়া উচিৎ। 
এনিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক রেজাউল করিমের সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন, আমি তো এ ব্যাপারে কিছু জানিনা। আমাকে কেউ কিছু বলেনি। আমি খোঁজ নিয়ে কোন সমস্যা থাকলে তা অবশ্যই দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করবো। 
১৯৭৬ সালের মার্চ মাস থেকে রমেক হাসপাতালের পদচারণা শুরু হলেও বরাবরই পয়ঃনিষ্কাষণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের মুখে এই প্রতিষ্ঠানটি। হাতে গোনা দুই একটি ওয়ার্ড ছাড়া সব ওয়ার্ডের টয়লেট ব্যবহারের অযোগ্য বলে আসছেন রংপুর ও রংপুরের আশেপাশের এলাকা থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষেরা। 

মন্তব্য করুন


Link copied