আর্কাইভ  শুক্রবার ● ২১ জানুয়ারী ২০২২ ● ৮ মাঘ ১৪২৮
আর্কাইভ   শুক্রবার ● ২১ জানুয়ারী ২০২২

সাহেবগঞ্জ টেকনিক্যাল কলেজের ১২৫ শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি; সড়ক অবরোধ

বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১, রাত ১০:২৪

মমিনুল ইসলাম রিপন: রংপুরের সাহেবগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের প্রায় ১২৫ শিক্ষার্থী এইচএসসি সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা দেয়া হবেনা। ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাননি। বুধবার সন্ধার পরে প্রবেশপত্রের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সাহেবগঞ্জ - হারাগাছ সড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ করে। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষসহ অন্যান্যরা গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের খুঁজছে। প্রবেশ পত্র না পাওয়ায় বৃহস্পতিবারের পরীক্ষা দেয়া তাদের অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও মেট্রোপলিটন পুলিশ হারাগাছ থানা সূত্রে জানাগেছে ,চলতি এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা ওই কলেজ থেকে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১২৫ জনের বেশি শিক্ষাথীর এবার পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার তাদের প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করার কথা। কিন্তু বুধবার রাত পর্যন্ত তাদের প্রবেশপত্র আসেনি। প্রবেশপত্রের দাবিতে সন্ধার পরে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ এসে অনুরোধ করে সড়কে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করলে কলেজের সামনে সাড়ে ৭টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবরোধ বিক্ষোভ চলছিল। ওই কলেজর এবার এইচএসসি সমমানের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলামের মামা মঞ্জু মিয়া বলেন, ১২৫ জনের মত শিক্ষার্থী প্রবেশ পত্র এখনো আসেনি। তার কাছে অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম দাবি করেছেন কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ভুলের কারণে এমনটি হয়েছে। অধ্যক্ষ বোর্ডে যোগাযোগ করে প্রথম দিনের পরীক্ষা অন্য কোন দিনে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে তিনি জানান। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলামের ভুলে এমনটা হয়েছে। হারাগাছের শিক্ষার্থী বিপ্লব হোসেন বলেন ,এমনিতে করোনার কারণে লেখাপড়া হয়নি। সরকার এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। বৃহস্পতিবার পরীক্ষা এখন পর্যন্ত প্রবেশপত্র পেলাম না। আমাদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত। ওই কলেজের আরেক শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, যতক্ষন পর্যন্ত পুলিশ অধ্যক্ষকে খুঁজে না পাবে এবং আমাদের বিষয়ে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিক্ষোভ- অবরোধ চালিয়ে যাব।  

হারাগাছ থানার ওসি শওকত হোসেন বলেন বিষয়টি শোনার পরপরই আমরা পুলিশ পাঠিয়েছি। শিক্ষার্থী অভিভাবকের শান্ত রাখার চেষ্টা করছি। ওই কলেজের অধ্যক্ষসহ কাউকে পাওয়া যাচ্ছেনা। পুলিশ তাদের খুঁজছে। অধ্যক্ষকে পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে। 

মন্তব্য করুন


Link copied