আর্কাইভ  সোমবার ● ১৫ জুলাই ২০২৪ ● ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
আর্কাইভ   সোমবার ● ১৫ জুলাই ২০২৪
 width=
 
 width=
 
শিরোনাম: মধ্যরাতে উত্তাল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়:       চাকরিজীবীদের ‘প্রত্যয় স্কিমে’ অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক       কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষকদের       রংপুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যান্ডার পর আত্মহত্যা বলে প্রচারণা       রংপুরে জেলা যুবলীগের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত      

 width=
 

জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা বহিস্কার হচ্ছেন না

বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, সকাল ০৮:৫২

ডেস্ক: যে কোনো নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত আছে। কিন্তু জেলা পরিষদ নির্বাচনে তা কার্যকর হচ্ছে না। অর্থাৎ, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা বহিস্কার হচ্ছেন না। তবে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি পাবেন।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান পদে ২৬টি জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জেলায় দলীয় প্রার্থীদের বিজয় প্রায় নিশ্চিত। ওই সব জেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বীদের অবস্থান খুব একটা সংহত নয়। এ কারণেই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ছাড় দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বহিস্কার করা হচ্ছে না। তবে আগামীতে যে কোনো নির্বাচনে মনোনয়নের বেলায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকবেন বিদ্রোহী প্রার্থীরা।

এদিকে রাজশাহী ও রংপুর জেলা আওয়ামী লীগ দলের দু'জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে বহিস্কারের সুপারিশ করেছে। তাঁরা হচ্ছেন- রাজশাহী জেলা শাখার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তার এবং রংপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা। ওই বৈঠকের দিনক্ষণ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ৪ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে দেশে ফিরবেন। এরপর দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক ডাকার প্রস্তুতি রয়েছে।

কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিস্কার নিয়ে আওয়ামী লীগে দুই ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বিদ্রোহীদের অনেকেই সাংগঠনিক পদ-পদবিতে নেই। তাঁদের পদ থেকে বহিস্কারের সুযোগ নেই। আবার অনেকেই দলের কাছে মনোনয়ন না চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাঁদের বহিস্কার করা নিয়েও দলের ভেতরে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। এই অবস্থায় যে কোনো নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হলেই দল থেকে বহিস্কারের আগাম সিদ্ধান্ত থাকলেও সাংগঠনিক এই শাস্তি কার্যকর হচ্ছে না জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বেলায়।

এদিকে কমপক্ষে ২৫টি জেলায় দলীয় প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ জানাতে স্থানীয় নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। 

মন্তব্য করুন


 

Link copied