আর্কাইভ  শনিবার ● ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ● ২২ মাঘ ১৪২৯
আর্কাইভ   শনিবার ● ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
 width=
 width=
শিরোনাম: লালমনিরহাটের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু       দিনাজপুর থেকে বাঁধাকপি যাচ্ছে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে       নিপাহ ভাইরাস: ২৮ জেলায় বিশেষ সতর্কতা,হাসপাতাল প্রস্তুতে নির্দেশ       চোর সন্দেহে দুইজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪       স্থানীয় বখাটেদের সঙ্গে বেরোবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ: আহত ৪      
 width=

টানা তিন দিন করোনায় মৃত্যুশূন্য বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২, দুপুর ০৪:৩৩

ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশে কারো মৃত্যু হয়নি।এর আগে লাগাতার দুই দিন (মঙ্গলবার ও বুধবার) করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন দেখে বাংলাদেশ। ফলে করোনায় দেশে মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ১১২ জনই রয়েছে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুর করে আরও ২৩৩ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৩৫৭ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে।  ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।  কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করে।  সম্প্রতি সে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

মন্তব্য করুন


Link copied