আর্কাইভ  শনিবার ● ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ● ৩০ চৈত্র ১৪৩০
আর্কাইভ   শনিবার ● ১৩ এপ্রিল ২০২৪
 width=
 
 width=
 
শিরোনাম: পঞ্চগড়ে দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে চার       পঞ্চগড়ে দুই মোটরসাইকেলের মুখোঁমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪       পঞ্চগড়ে প্রেমিকের হাতে প্রেমিকা খুন!       নাথান বমের স্ত্রীকে বান্দরবান থেকে লালমনিরহাটে বদলি       দিনাজপুরে ৬ লাখ মুসল্লি’র সমাগমে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত      

 width=
 

কুড়িগ্রামে শস্যচিত্রে জাতীয় পতাকা, প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষক

বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪, দুপুর ০২:০৪

কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় ধান ক্ষেতে জাতীয় পতাকার চিত্র তৈরি করে প্রশংসায় ভাসছেন মো. আবু জাফর (৩৫) নামের এক স্কুল শিক্ষক ও কৃষক। শিক্ষক আবু জাফরের বাড়ি উলিপুর পৌর শহরের নাওডাঙা বাকের হাট গ্রামে। তার বাবার নাম মো. আবু বক্কর। তিনি উলিপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। স্বাধীনতার মাসে ধান ক্ষেতের মাঝে চারা গাছ দিয়ে ফুটে উঠা জাতীয় পতাকার প্রতিচ্ছবি দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষক আবু জাফরের এক একর ত্রিশ শতক জমিতে ধান চাষ করেছেন। এর মধ্যে ক্ষেতের এক শতক জমি জুড়ে ফুটে উঠেছে সবুজ ও বেগুনি রঙের চারা দিয়ে জাতীয় পতাকার প্রতিচ্ছবি। জমির আইলের পাশ দিয়ে বেগুনি ধান গাছের চারা রোপণ করে ফুটিয়ে তুলেছেন পতাকার খুঁটি। বিরি-১০৪ জাতের ধানের সবুজ চারাকে পতাকার জমিন ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ বেগুনি ধানের চারাকে বৃত্ত ও পতাকার খুঁটি স্বরূপ সারিবদ্ধ ভাবে রোপণ করেছেন তিনি। প্রথম দিকে ধান গাছের পাতায় সমৃদ্ধ রঙ না আসায় স্পষ্ট চিত্র বুঝা না গেলেও বর্তমানে ধান গাছের পরিপক্বতার কারণে দৃশ্যমান হয়েছে ক্ষেতটি। এমন ব্যতিক্রমী পতাকার আদলে ধান ক্ষেত দেখতে প্রতিদিন লোকজন ছুটে আসছেন সেখানে।

এ বিষয়ে আবু জাফর বলেন, ‘আমি শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃষি চাষাবাদ করে থাকি। দেশের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ব প্রকাশে মানুষজন বিভিন্নভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে চায়। তেমনি আমিও চেষ্টা করছিলাম মাত্র। স্বাধীনতার মাসে জাতীয় পতাকার আদলে করা ধানক্ষেতটি দৃশ্যমান হওয়ায় মানুষজনের দেখার আগ্রহ বেড়েছে।’

ধান ক্ষেত দেখতে আসা উলিপুরের সাইদ মিয়া বলেন, ‘মানুষ দেশের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ থেকেই মূলত ব্যতিক্রমী কাজ করে থাকেন। আবু জাফর ভাইয়ের জাতীয় পতাকার আদলে করা ধানক্ষেতটি সত্যি প্রশংসনীয়। এমন দৃশ্য দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। এটি দেখে অনেকের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত হবে বলে।’

শস্য পতাকা দেখতে আসা শিক্ষার্থী আপেল বলেন, ‘আমি ফেসবুকে দেখে সরেজমিনে এসেছি। এটা ভালো লেগেছে।’

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর উপপরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, ‘একজন কৃষক দেশের প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে জমিতে জাতীয় পতাকার আদলে যে শস্যচিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, সেটা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ সবসময় পাশে থাকবে বলে জানান।’

মন্তব্য করুন


 

Link copied