নিউজ ডেস্ক: সংসদীয় আসন চুয়াডাঙ্গা-২ এর পুরো এলাকা সীমান্ত ঘেঁষা। দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা এবং সদর উপজেলার একাংশ নিয়ে এ আসন। আসনটিতে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-কোষাধ্যক্ষ ও বিজিএমইএর নবনির্বাচিত সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মকলেছুর রহমান তরফদার টিপু।
আসনটিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন তাদের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। প্রার্থীরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন এবং ইসলামী আন্দোলন জেলা কমিটির সভাপতি হাসানুজ্জামান সজিব। এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের অবস্থান অনেকটা সমানে সমান। সংসদ নির্বাচন ঘিরে এখন চলছে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ। এ দুই দলের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীও মাঠ প্রস্তুত করছেন। আসন্ন নির্বাচনে সম্ভাব্য সব প্রার্থীই ভোটারদের পছন্দের তালিকায় নিজেকে এগিয়ে রাখছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে আমার গঠনমূলক পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। বিএনপি বড় দল হওয়ায় সারা দেশের সব আসনে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকবে- এটাই স্বাভাবিক। তবে নেতা-কর্মী ও এলাকার ভোটাররা আমার সঙ্গেই আছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মকলেছুর রহমান তরফদার টিপু বলেন, নির্বাচনের এখনো অনেক সময় বাকি। বিএনপি বড় দল হিসেবে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে তাদের শক্ত প্রার্থী থাকবে- এটাই স্বাভাবিক। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বলেন, সাধারণ ভোটাররা এবার পরিবর্তন চায়। তারা চাঁদাবাজ, দখলদারদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে জামায়াতকে বেছে নেবে।
তাছাড়া আগামী নির্বাচনে সফলতা অর্জনের জন্য সাংগঠনিকভাবে পরিকল্পনা এবং মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে দলের প্রতিটি কর্মী কাজ করছে।
ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজিব বলেন, আমরা নিয়মিত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে আমরা আশাবাদী। গত ৫৩ বছর জনগণ যাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে তারা আশা-আকাক্সক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এজন্য এবার ভোটাররা ইসলামী আন্দোলনের প্রতি আস্থা রাখতে চাইছেন।