স্টাফরিপোর্টার,নীলফামারী॥ বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আফজাল হোসেন বলেছেন, নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত রেলওয়ে হাসপাতালকে ২৫০ শষ্যা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে রূপান্তরের প্রকল্পটি চলমান রয়েছে। খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। এর আগে মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খুব শিগগিরি রেলওয়ের এ হাসপাতালকে জেনারেল হাসপাতালে পরিণত করে সর্বসাধারণের চিকিৎসা সেবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
শনিবার(৩০ আগষ্ট) বিকালে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এরআগে তিনি সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফরিদ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ মাসুম, প্রধান যন্ত্র প্রবৌশলী (সিএমই) সাদেকুর রহমান, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফী নূর মোহাম্মদ, রেলকারখানার কার্যব্যস্থাপক মমতাজুল ইসলাম, রেলের বিভাগীয় মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আনিসুল হকসহ রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রেলওয়ে মহাপরিচালক বলেন, গত ১৮ আগষ্ট রেলপথ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রানালয়ের এক ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে দেশের সকল রেলওয়ে হাসপাতালগুলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে পরিচালনা করা হবে বলে সীধান্ত নেয়া হয়। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম রেলওয়ে হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতাল একত্রিত হয়ে ‘চট্টগ্রাম রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতাল’ নামে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী ও সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালকে স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে যুক্ত করার সীধান্ত নেয়া হয়েছে। যা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার সমস্যা বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ও পার্বতীপুর লোমেটিভ কারখানা আধুনিকায়ন করা হবে। রেলের জনবল সংকট একটি বড় সমস্যা। আমরা এ সমস্যা সমাধানে কাজ করছি। আশা করছি তা দ্রুত সমাধান হবে। তিনি বলেন, স্প্রিং সংকটের কারণে সৈয়দপুর রেলকারখানায় থাকা কোচগুলো মেরামত করতে সমস্যা হচ্ছে। যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি চলতি বছরে রেল কোচ মেরামতের সমস্যাগুলি সমাধান হবে। এছাড়া সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনও আধুনিকায়ন করা হবে। যাত্রীদের সমস্যার কথা গভীরভাবে ভাবা হচ্ছে।