আবু সাঈদ চত্বর থেকে শুরু হওয়া এই দৌড় রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর ঘুরে আবারও একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এতে অংশ নেন প্রায় দেড় হাজার প্রতিযোগী।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সভাপতি আহমাদুল হক আলবীর বলেন, ‘আজকের আয়োজন শুধু দৌড় নয়, তরুণ সমাজকে সুস্থ দেহ-সুস্থ মন গঠনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার এক আহ্বান। “চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে গড়ি” প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আমরা বার্তা দিতে চাই—ব্যক্তি ও দেশের কল্যাণে সক্রিয় হতে হবে। দেড় হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণই প্রমাণ করে তরুণ প্রজন্ম ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত।’
আহমাদুল হক আলবীর আরও বলেন, ‘রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাঁরা অংশ নিয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমরা চাই প্রতিবছর এই আয়োজন আরও বড় হোক, আরও বেশি তরুণ যুক্ত হোক।’
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী তৌফিক হাসান তারিক বলেন, ‘এত বড় প্রতিযোগিতায় দৌড়ানো সত্যিই রোমাঞ্চকর। পড়াশোনার চাপের মধ্যে এমন আয়োজন আমাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে দারুণ উজ্জীবিত করে। বেরোবি শিক্ষার্থী পরিষদের আয়োজনগুলো সত্যিই অসাধারণ।’
অন্য অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী তালেব ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। সুস্থ দেহ-সুন্দর মন গঠনে এমন দৌড় প্রতিযোগিতা ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। আজ আমি একজন প্রতিযোগী হিসেবে খুবই আনন্দিত। চাই প্রতিবছর এ রকম প্রতিযোগিতা হোক। এটি শুধু দৌড় নয়; সুস্থ ও প্রাণবন্ত আগামী গড়ার এক নতুন দৃষ্টান্ত।’
দৌড়ে অংশ নেওয়া প্রত্যেককে টি-শার্ট ও সকালের নাশতার ব্যবস্থা করা হয়। আর প্রথম ৮০ জনকে দেওয়া হয় মেডেল।