নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ফিফটির রেকর্ড এতদিন এককভাবে ছিল সাকিব আল হাসানের দখলে। এবার তাতে ভাগ বসালেন টাইগারদের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।
শনিবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জ্বলে ওঠেন লিটন। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৩৭ রানের সাদামাটা লক্ষ্য তাড়ায় বাহারি সব শট আসে তার ব্যাট থেকে। চড়াও হয়ে মাত্র ২৬ বলে হাফসেঞ্চুরি স্পর্শ করেন তিনি। এই সংস্করণের ক্রিকেটে এটি তার ১৩তম ফিফটি। সাকিবের নামের পাশেও রয়েছে সমান সংখ্যক হাফসেঞ্চুরি।
একটি দিক থেকে অবশ্য বাঁহাতি অলরাউন্ডার সাকিবের চেয়ে এগিয়ে লিটন। ১২৯ টি-টোয়েন্টি খেলা সাকিব ত্রয়োদশ ফিফটি পেয়েছিলেন ১২৫তম ম্যাচে। ডানহাতি উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন ১০৮তম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেই বসে পড়লেন তার পাশে।
সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জিতিয়ে তিনে নামা লিটন অপরাজিত থাকেন ৫৪ রানে। ২৯ বল মোকাবিলায় তিনি মারেন ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা।
দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসানের সঙ্গে ৩৯ বলে ৬৬ ও অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসানের সঙ্গে ২৬ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়েন লিটন। ফলে ৩৯ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের প্রত্যাশিত জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ দল।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ২০ ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটারের ১০টি হাফসেঞ্চুরিও নেই। তামিম ইকবাল ৭৪ ম্যাচে আটটি ফিফটির সঙ্গে করেছেন একটি সেঞ্চুরি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আটটি ফিফটি পেয়েছেন ১৪১ ম্যাচে। ১০২ ম্যাচ খেলা মুশফিকুর রহিমের রয়েছে ছয়টি হাফসেঞ্চুরি।
এই সংস্করণে বাংলাদেশের ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক লিটন। ১০৮ টি-টোয়েন্টির ১০৬ ইনিংসে ২৩ গড়ে তার রান ২ হাজার ৩৪৬। দুইয়ে থাকা মাহমুদউল্লাহ ১৪১ ম্যাচের ১৩০ ইনিংসে ২৩.৫০ গড়ে করেছেন ২ হাজার ৪৪৪ রান। শীর্ষে থাকা সাকিবের ১২৯ ম্যাচের ১২৭ ইনিংসে ২৩.১৯ গড়ে সংগ্রহ ২ হাজার ৫৫১ রান।