আর্কাইভ  শনিবার ● ১৩ জুলাই ২০২৪ ● ২৯ আষাঢ় ১৪৩১
আর্কাইভ   শনিবার ● ১৩ জুলাই ২০২৪
 width=
 
 width=
 
শিরোনাম: সারা দেশের ৫০ শয্যা হাসপাতালগুলো ক্রমান্বয়ে একশ শয্যায় উন্নীত করা হবে- স্বাস্থ্য মন্ত্রী       তিস্তা কর্তৃপক্ষ গঠন করে নিজস্ব অর্থায়নে মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি       রোববার কোটা আন্দোলনকারীরা সড়কে নামলেই ‘কঠোর ব্যবস্থা’       রংপুরে ৭২ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার       পঞ্চগড়ে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নানী- নাতনির মৃত্যু      

 width=
 

ডিসি ও ইউএনও“র হস্তক্ষেপে ১৫ পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিল

রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩, রাত ০৮:৫০

স্টাফরিপোর্টার,নীলফামারী॥ অবশেষে ডিসি ও ইউএনও’র হস্তক্ষেপে নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৫ পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পেয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। 
১৫জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর নিকট প্রবেশপত্রের ভুল সংশোধনের নামে এক হাজার ৯শত করে টাকা দাবি করেছিল নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান। শনিবার(২৯ এপ্রিল) দিনভর এ নিয়ে তোলপাড় সৃস্টি ও সন্ধ্যার পর সড়ক অবরোধ পর্যন্ত গড়ায়। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক(ডিসি) পঙ্কজ ঘোষ ও সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন নাহারের হস্তক্ষেপে পরীক্ষার্থী ১৫ জনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রবেশ পত্র পৌছে দেয়া হলে রবিবার ওই ১৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই শিক্ষার্থীরা রবিবার শহরের ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হাজির হয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়। সকাল ১১টার দিকে ওই কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পরীক্ষা দিতে দেখা যায়।
কেন্দ্র সচিব ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মেসবাহুল হক বলেন,তারা আজ প্রত্যেকে যথা সময়ে কেন্দ্রে এসে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। 
অভিযোগে জানা যায়, টুপামারী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এবছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য ৫৭জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। তাদের মধ্যে ২৬জনের সমস্যা হয়েছিল। ওই ২৬জনের মধ্যে ৭ জনের বিষয়ভিত্তিক সমস্যা হয়। সেটি সংশোধনের পর আরো ১৫ জনের রেজিস্ট্রেশনজনিত সমস্যা দেখা দেয়। সংশোধনের নামে প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান ওই ১৫জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছে ১ হাজার ৯শত করে টাকা দাবি করে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে প্রধান শিক্ষক পালিয়ে যায়। শনিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রবেশ পত্র না পেয়ে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়টি ঘেরাও করে রাখে। সন্ধ্যায় সড়ক অবরোধ কর্মসুচিতে রাস্তায় নামে। সেখানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গিয়ে পরীক্ষার্থীদের সমস্যার কথা শুনেনি। 
তাদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের ভুলে বিদ্যালয়ের ২৬ জন শিক্ষার্থীর প্রবেশ পত্র আসেনি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে। এমন পরিস্থিতিতে গত শুক্রবার পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগের ১১ জনের সমস্যা সমাধান হলেও মানবিক বিভাগের ১৫ জনের প্রবেশপত্র একেবারেই অনিশ্চিৎ হয়ে পড়ে। প্রবেশ পত্র না পাওয়ায় ওই ১৫ শিক্ষার্থী শনিবার দিনভর বিদ্যালয় চত্বরে অবস্থান করলেও দেখা পায়না প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের। 
জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ জানান, বিষয়টি জানতে পেরে আমি প্রথমে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করি। কিন্তু তাকে না পেয়ে দিনাজপুরে শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানালে রাতেই ওই ১৫জন পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র সংশোধন করে দেয়া হয়। রাত ২টার মধ্যেই সদর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন নাহারের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি প্রবেশপত্র পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করি। রবিবার তারা সকলে পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

মন্তব্য করুন


 

Link copied