আর্কাইভ  শনিবার ● ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ● ৩০ চৈত্র ১৪৩০
আর্কাইভ   শনিবার ● ১৩ এপ্রিল ২০২৪
 width=
 
 width=
 
শিরোনাম: পঞ্চগড়ে দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে চার       পঞ্চগড়ে দুই মোটরসাইকেলের মুখোঁমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪       পঞ্চগড়ে প্রেমিকের হাতে প্রেমিকা খুন!       নাথান বমের স্ত্রীকে বান্দরবান থেকে লালমনিরহাটে বদলি       দিনাজপুরে ৬ লাখ মুসল্লি’র সমাগমে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত      

 width=
 

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ হিমুর!

বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, রাত ০৮:৫০

ডিজার হোসেন বাদশা, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে হুমায়রা ইয়াসমিন হিমু নামে এক পরীক্ষার্থী।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে কান্নাজড়িত হৃদয়ে বাবার লাশ বাড়িতে রেখে তেঁতুলিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সে।

জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হিমুর বাবা আব্দুল হাকিম (৪৮) মৃত্যুবরণ করে। 

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হিমুর বাবা আব্দুল হাকিম রাজনীতিতে তেঁতুলিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য ছিলেন। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আব্দুল হাকিম তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজারে ভ্যান শ্রমিক সমিতির একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে বক্তব্য রাখছিলেন। মঞ্চ থেকে বক্তব্য দিয়ে বের হয়ে একটি হোটেলে চা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর গল্পের মাঝে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সহকর্মীদের সহায়তায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মারা যান তিনি। এদিকে নিয়তি মেনে নিয়ে বাবার লাশ বাড়িতে রেখে বুধবার সকালে হিমুকে যেতে হয় পরীক্ষা কেন্দ্রে।

মৃত আব্দুল হাকিম উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের কালান্দিগঞ্জ পত্নীপাড়ার বাসিন্দা। পরীক্ষার্থী হুমায়রা ইয়াসমিন হিমু নারী শিক্ষাখ্যাত কাজী শাহাবুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে। দুই ভাই বোনের মধ্যে সেই ছোট। বড় ভাই জাহিদ হাসান জনি রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিষয়ে পড়ালেখা করছে।

তেঁতুলিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার শওকত আলী বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থী হুমায়রা ইয়াসমিন হিমুর বাবার মৃত্যুর বিষয়টি আমরা পরীক্ষা কেন্দ্রে আসার পর জানতে পেরেছি। পরীক্ষা দেয়ার সময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। কোনভাবে পরীক্ষা শেষ করে সে চলে যায়। আমরা চেয়েছিলাম, সে সবার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা দিক। কিন্তু তাকে শোকাহত হতে দেখেছি। তবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও দ্রুত পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি ফিরে পরীক্ষার্থী হিমু।

মন্তব্য করুন


 

Link copied