আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ৯ আগস্ট ২০২২ ● ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯
আর্কাইভ   মঙ্গলবার ● ৯ আগস্ট ২০২২
PMBA
 
PMBA

পঞ্চগড়ে ৯.৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রিতে নামার আভাস

রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, দুপুর ০২:১১

ডিজার হোসেন বাদশা, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: দেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও হিমালয় খ্যাত পঞ্চগড়ে পুরো দমে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। এ জেলায় শীত মৌসুমের অধীকাংশ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজমান থাকে। তবে এবারো ডিসেম্বর মাসের ১৯দিনের মধ্যে ২দিন অন্যজেলায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকলেও টানা ১৭দিন ধরে দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে।

রোববার (১৯ নভেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সকাল ১১টায় সারাদেশের সাথে নির্ণয় শেষে দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে রেকর্ড করা হয়। এদিকে দিনভর গরম আবহাওয়া থাকলেও গত কয়েকদিনের তুলনায় শীত অনেকটাই বেশী অনূভূত হচ্ছে। তবে রাত থেকে পরদিন প্রথম সকাল পর্যন্ত নামছে হার কাপানো শীত।

এদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে, ডিসেম্বরের ২০ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত দশদিন তাপমাত্রা ১০ থেকে ৬ ডিগ্রির ঘরে নেমে এসে উঠানামা করবে। এদিকে গত ১৭ দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। শীতের তীব্রতা ও গরম কাপড়ের অভাবে দূর্ভোগে পড়ছে স্থানীয় নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে দেখা ও জানা গেছে, উত্তর থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি হিমেল হাওয়ায় শীতের দাপট অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে রাত থেকে পরদিন প্রথম সকাল পর্যন্ত নামছে হার কাপানো শীত ও কুয়াশা। প্রতিবারের মত এবারো গরমের মাঝে অনেকটা আগে ভাগে শীতের আমেজ শুরু হওয়ায় পঞ্চগড় জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনে কিছুটা বির্পযস্থ নেমে এসেছে। শীতের দাপটে বিপাকে পড়েছে দিনমুজুর ও নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষেরা। অনেকেই এই শীত থেকে রেহায় পেতে গরম কাপড় ও শীত বস্ত্রের জন্য ছুটছে বিভিন্নজনের দারে দারে।

তেঁতুলিয়ার দেবনগড় এলাকার আব্দুল করিম নামে একজন বলেন, শীত অনেকটাই বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়ি থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে। কিন্তু পেটের ক্ষুদার কাছে শীত আর কি।

ভজনপুর এলাকার জুমার উদ্দীন নামে আরেকজন বলেন, এখন পর্যন্ত শীতের কোন সহায়তা পাই নি। খুবই শীত করে। এই শীতের সময় সংসার ও পরিবার নিয়ে খুব সমস্যার মধ্যে থাকছি।

এদিকে বৈরি আবহাওয়ায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ বয়স্করা। এতে করে জেলা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। তবে জেলার মধ্যে সব থেকে বেশী শীত অনুভুত হয় সীমান্ত উপজেলা তেঁতুলিয়ায়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ্ বলেন,  দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা অনেকটাই কমে আসছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে দিনের বেলাও অনেকটাই শীত অনুভূত হচ্ছে। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় পঞ্চড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসয়িাস। ডিসেম্বরের ২০ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত দশদিন তাপমাত্রা ১০ থেকে ৬ ডিগ্রির ঘরে নেমে এসে উঠানামা করবে। একই সাথে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধিপাবে। তবে আগামী ২২ সালের জানুয়ারিতে শীতের তীব্রতা আরো বেড়ে যেতে পারে।

মন্তব্য করুন


Link copied