আর্কাইভ  বৃহস্পতিবার ● ৬ অক্টোবর ২০২২ ● ২১ আশ্বিন ১৪২৯
আর্কাইভ   বৃহস্পতিবার ● ৬ অক্টোবর ২০২২
 
 
শিরোনাম: দেশের মানুষ আজ নরকে বাস করছে-জিএম কাদের       গাইবান্ধায় লোকালয়ে হনুমান, উৎসুক জনতার ভিড়       নভেম্বরে বন্ধ হবে ৩০ লাখ মোবাইল সিম       কাঁটাতারের বেড়া ভালোবাসা ভাগ করতে পারেনি       করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫৪৯      

নীলফামারীতে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট চরমে

রবিবার, ৮ মে ২০২২, সকাল ০৮:২৯

স্টাফ রিপোর্টার,নীলফামারী॥ নীলফামারীতে যানবাহনের জ্বালানী পেট্রোল ও অকটেন  সংকট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন পাম্পে জ্বালানী না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন যানবাহনের চালকরা।
জেলার পেট্রোল পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রায় একমাস যাবৎ এ অবস্থা বিরাজ করলেও শনিবার বেশিরভাগ পাম্পে পেট্রোল ও অকটেনের মজুদ শেষ হয়েছে। কবে নাগাদ সমস্যার সমাধান হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এজন্য কতৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন তারা। 
শনিবার(৭ মে) জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকার কয়েকটি পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে পেট্রোল ও অকটেন সংকটের দৃশ্য। বেশিরভাগ পাম্পে জ্বালানী না পেয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনকে।
শহরের বনবিভাগ এলাকায় অবস্থিত রশিদা ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, পেট্রোল ও অকটেন না পেয়ে বিভিন্ন যানবাহনের মালিকদের ফিরে যেতে। পা¤েপর গায়ে লিখে দেওয়া হচ্ছে তেল না থাকার নোটিশ। 
সেখানে মোটরসাইকেলে জ্বালানী নিতে আসা শহরের গাছবাড়ি এলাকার সৌমিক আহমেদ জানান, মাকে নিয়ে আত্মীয় বাড়ি যাবো। আমি তেল নেওয়ার জন্য সকাল থেকে তিনটি পা¤েপ গিয়েছি, কিন্তু পাইনি। বলা হচ্ছে, পেট্রোল নেই। এমনকি অকটেনও পাওয়া যাচ্ছে না। বাবাপাড়া এলাকার আব্দুর রউফ বলেন, সকাল থেকে ৩-৪টা পেট্রোলে পা¤েপ গেছি কোথাও পেট্রোল পাই নাই, দুই একাটি পা¤েপ  অকটেন থাকলেও ২০০ টাকার বেশী বিক্রি করছে না তারা। শান্তিনগর এলাকার আলতাফ হোসেন জানান, তেল সংকট এভাবে চলতে থাকলে তো আমাদের গাড়ি চালানো যাবে না। আমরা চাই দ্রত পেট্রোল ও অকটেনের সরবারহ স্বাভাবিক হোক। 
রশিদা ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল্লাহ জানান, ঈদের কয়েকদিন আগেই পেট্রোল সংকম চরমে পৌঁছেছে। মানুষকে দিতে পারছি না। ঈদের কিছু দিন আগে ১৪ হাজার লিটার অকটেন এসেছিল, সেগুলো দিয়ে কোনো রকমে চালাতে হচ্ছে। তিনি জানান, প্রতিদিন এ পা¤েপ দেড় হাজার লিটার পেট্রোল ও ৬০০ লিটার অকটেন প্রয়োজন। কিন্তু, সরবরাহ না থাকায় আমরা গ্রাহককে পেট্রোল ও অকটেন দিতে পারছি না। যার কারণে তেল না থাকায় পা¤েপর গায়ে তেল নেই লিখে দিতে হয়েছে। 
জেলা পেট্রোল পা¤প ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান স্বপন জানান, তিন মাস থেকে পেট্রোল সংকট দেখা দেয়। দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে না পেয়ে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে তেল নিয়ে পা¤পগুলো চালাতে হচ্ছিল। কিন্তু এখন বাঘাবাড়ি ডিপোতেও পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে পাম্পগুলোতে ডিজেল সরবরাহ রয়েছে। 
পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (পদ্মা ওয়েল) সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক হারিজ আহমেদ সরকার বলেন,‘ঈদের ছুটির কারণে সংকট সব জায়গায় আছে। তবে রবিবার(৮ মে) কিছু তেল আসবে। সেটি নীলফামারীসহ অন্যান্য জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। এতে সংকট কিছুটা দূর হবে।’
জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, এটাকে সংকট বলা যাবে না। কিছুটা সমস্যা হয়েছে, আশা করছি দ্রুত এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। 

মন্তব্য করুন


Link copied