আর্কাইভ  সোমবার ● ৩ অক্টোবর ২০২২ ● ১৮ আশ্বিন ১৪২৯
আর্কাইভ   সোমবার ● ৩ অক্টোবর ২০২২
 
 
শিরোনাম: পাঁচ দিনের ছুটির কবলে প্রশাসন       এলপিজি গ্যাসের দাম কমল       রংপুর মেডিকেলের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালসহ ৩ কর্মকর্তাকে বদলি       ঘোড়াঘাটের সাবেক ইউএনওকে হত্যাচেষ্টার রায় ৪ অক্টোবর       রংপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন      

নীলফামারীতে প্রাইভেট কারে ইয়াবার চালানে উদ্ধার ৯১ হাজার পিস ইয়াবা

শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২১, বিকাল ০৭:৩২

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী॥ নীলফামারী জেলা শহরের বড়বাজার ট্রাফিক মোড়ে একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ইয়াবার চালান উদ্ধার ঘটনায় আজ শনিবার(২৫ ডিসেম্বর) বিকালে ওই প্রাইভেট কারের চালক এমরান হোসেনসহ (৪২) নামীয় চার জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো চার জনকে আসামী করে সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। 
গতকাল শুক্রবার(২৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের বড়বাজার ট্রাফিক মোড়ে কক্সবাজার টু নীলফামারী প্রাইভেট কারে ইয়াবার চালানে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে নীলফামারীতে এসে নিদিষ্ট গ্রাহকের হাতে পৌঁছানোর আগেই ধরা পড়ল এন্টি টেরোরিজম পুলিশের কাছে। তল্লাশি চালিয়ে প্রাইভেট কারটি (ঢাকা মেট্রো-ঘ- ১৩-০৯৩৩) থেকে ৯১ হাজার ৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের পর কারটি জব্দ করা হয়। চালক ইমরানের বাড়ী সিলেট জেলায় গোলাপগঞ্জ উপজেলার দাড়িপাতন গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত রফিক উদ্দিনের ছেলে। 
এন্টি টেরোরিজম পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদে সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় শহরের বড় বাজার ট্রাফিক মোড়ে একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশী চালিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালানের সন্ধান পাওয়া যায়। এসময় চালকসহ প্রাইভেট কারটি থানায় নেওয়া হয়। ওই কারের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ৯১ হাজার ৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় শনিবার বিকালে সদর থানায় মামলা দায়ের করে চালক ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার ও প্রাইভেট কারটি জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা এসব ইয়াবা মিয়ানমার থেকে এসেছে।
এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মীর শওকত আলী সাংবাদিকদের বলেন, কার চালক ইমরান তৃতীয়বারের ন্যায় ইয়াবার চালান নিয়ে নীলফামারীতে আসেন। এর আগে দুইটি চালান নিয়ে নীলফামারীতে এসে স্টেশন এলাকার একটি বাড়ীতে রাত্রি যাপন করেছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছেন। তবে সে বাড়ীটি নিদিষ্ট করে বলতে পারছেন না। এসব তথ্য উদ্ধারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা কারটির গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতর থেকে অক্ষত অবস্থায় ৯১ হাজার ৩৫ পিস এবং গুড়া অবস্থায় আনুমানিক ১৫০ গ্রাম ইয়াবা পাওয়া গেছে। যাহার আনুমানিক মূল্য দুই কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা। 
নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউপ সাংবাদিকদের বলেন, এঘটনায় আজ শনিবার বিকালে এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। 

মন্তব্য করুন


Link copied